জলঢাকায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অভিনব প্রতারনার অভিযোগ
আসাদুজ্জামান, জলঢাকা(নীলফামারী)প্রতিনিধি:নীলফামারীর জলঢাকায় এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতারনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত প্রতারক উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ ৬নং ওয়ার্ড সদস্য গোলাম রব্বানী। এনিয়ে পারভীন আক্তার নামে একজন নারী সোমবার রাতে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগকারী ওই ইউনিয়নের পূর্ব বালাগ্রাম কাশিনাথপুর গ্রামের বেলাল হোসেন কাজীর স্ত্রী পারভীন আক্তার জানায়, "সম্প্রতি আমার স্বামী জেলখানায় থাকায় রবিবার বিকালে আমার মোবাইল নম্বরে ফোন আসে আমার স্বামী সেখানে হার্ট এ্যাটাক করেছেন। তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তার অপারেশনে ৯০ হাজার টাকা প্রয়োজন। প্রথমে সে ৩০হাজার টাকা দাবী করে এবং অবশিষ্ট টাকা ইউএনও সাহেব দিবেন। আমি বিশ্বাস করে প্রথমে একটি নম্বরে ১৫হাজার ও পরে আরেকটি নম্বরে ১৫হাজার টাকা বিকাশ করে দেই। পরে মোবাইলে কথা বলা ব্যক্তির কথামতো আরও ১০/১৫ হাজার হাজার টাকা সংগ্রহ করে রংপুরের উদ্দেশ্যে যেতে থাকলে শুনি আমার স্বামী রংপুরে নাই। পরে নম্বর ঘেটে দেখি আমাদেরই ইউনিয়নের মেম্বার রব্বানী প্রতারনা করেছে। তাই বিষয়টি ওই দিনেই ইউএনও স্যারকে অবগত করি। পরে ইউএনও স্যার মেম্বারকে ডাকলে তার সামনে সে ঘটনা স্বীকার করে এবং টাকা ফেরত দিতে রাজী হয়। এখন সে টাকা দিবেনা। উল্টো আমাকে বিভিন্ন হুমকী দিচ্ছে। অভিযুক্ত ইউপি সদস্য গোলাম রব্বানী বলেন, আমি প্রতারনা করেছি কিনা স্বাক্ষী প্রমানে সব বেরিয়ে আসবে। "এবিষয়ে জলঢাকা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মোস্তাফিজার রহমান জানান, 'এবিষয়ে একটি অভিযোগ হাতে পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। '
আসাদুজ্জামান
আসাদুজ্জামান, জলঢাকা(নীলফামারী)প্রতিনিধি:নীলফামারীর জলঢাকায় এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতারনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত প্রতারক উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ ৬নং ওয়ার্ড সদস্য গোলাম রব্বানী। এনিয়ে পারভীন আক্তার নামে একজন নারী সোমবার রাতে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগকারী ওই ইউনিয়নের পূর্ব বালাগ্রাম কাশিনাথপুর গ্রামের বেলাল হোসেন কাজীর স্ত্রী পারভীন আক্তার জানায়, "সম্প্রতি আমার স্বামী জেলখানায় থাকায় রবিবার বিকালে আমার মোবাইল নম্বরে ফোন আসে আমার স্বামী সেখানে হার্ট এ্যাটাক করেছেন। তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তার অপারেশনে ৯০ হাজার টাকা প্রয়োজন। প্রথমে সে ৩০হাজার টাকা দাবী করে এবং অবশিষ্ট টাকা ইউএনও সাহেব দিবেন। আমি বিশ্বাস করে প্রথমে একটি নম্বরে ১৫হাজার ও পরে আরেকটি নম্বরে ১৫হাজার টাকা বিকাশ করে দেই। পরে মোবাইলে কথা বলা ব্যক্তির কথামতো আরও ১০/১৫ হাজার হাজার টাকা সংগ্রহ করে রংপুরের উদ্দেশ্যে যেতে থাকলে শুনি আমার স্বামী রংপুরে নাই। পরে নম্বর ঘেটে দেখি আমাদেরই ইউনিয়নের মেম্বার রব্বানী প্রতারনা করেছে। তাই বিষয়টি ওই দিনেই ইউএনও স্যারকে অবগত করি। পরে ইউএনও স্যার মেম্বারকে ডাকলে তার সামনে সে ঘটনা স্বীকার করে এবং টাকা ফেরত দিতে রাজী হয়। এখন সে টাকা দিবেনা। উল্টো আমাকে বিভিন্ন হুমকী দিচ্ছে। অভিযুক্ত ইউপি সদস্য গোলাম রব্বানী বলেন, আমি প্রতারনা করেছি কিনা স্বাক্ষী প্রমানে সব বেরিয়ে আসবে। "এবিষয়ে জলঢাকা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মোস্তাফিজার রহমান জানান, 'এবিষয়ে একটি অভিযোগ হাতে পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। '
আসাদুজ্জামান

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন